শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
বাঙালির প্রধান খাদ্য হল ভাত।খাবারের তালিকায় ভাতই বাঙালির প্রথম স্হান দখল করে আছে। এই দু মুঠো ভাতের জন্যই বাঙালি সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করে।এমনকি এই দুমুঠো ভাতের জন্যই বাঙালি আজ নিজ মাতৃভূমি ছেড়ে পাড়ি দিচ্ছে সুদূর দেশে।বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ।সুজলা সুফলা শষ্য শ্যামলে ভরা বাংলাদেশ।দিন, দিন এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের কৃষি।যার কারনে এই দেশের জনগনের জন্য যে খাদ্য সামগ্রীর দরকার হয় তার সিংহ ভাগই এখন এই দেশেই উৎপাদিত হয়।উৎপাদনের দিগ দিয়ে চালের উৎপাদনও কম নয়, তবে হঠাৎ করে বেড়ে যায় চালের বাজার ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষের। একদিকে দেশে করেনার প্রভাব, অন্যদিগে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার বিপর্যয়। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে চালের বাজার।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বরিশালে বিভিন্ন চালের বাজারে কেজিতে কমতে শুরু করেছে ২-৩ টাকা।মোঃ ফজলুল হক চালের খুচরা ব্যাবসায়ী তিনি জানান, চিকন চাল এখন কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা,যা আগে ছিল ৬২ টাকা,মাঝারি চাল এখন কেজি ৪৯-৫০ টাকা যা ছিল ৫২ টাকা,মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৩ টাকা যা ছিল ৪৬ টাকা। বাজার রোডে চাল কিনতে আসা জাহিদ বলেন, চালের দামটা আমাদের মত সাধারণ জনগনের কাছে এখনও অনেক বেশি, কেননা আমাদের প্রধান খাদ্যই হচ্ছে ভাত।
একেতো করোনা চলছে, অন্য দিগে তেমন একটা আয় নেই আমাদের। আগে চাল কিনতাম এক বস্তা করে আর এখন কিনি ৫ কেজি করে।তাই চালের দাম আরও কমা উচিত। বরিশাল চাল আড়ৎদার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক সাংবাদিকদের জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে চালের দাম বস্তা প্রতি এভারেজে ৫০- ১০০ টাকা কম।যেমন মিনিকেট দাদা রাইচ ২৫ কেজি বস্তা ১৪০০ টাকা যা ছিল ১৪৪০ টাকা,মোটা চাল ৫০ কেজি বস্তা আগে ছিল ২১৬০ টাকা যা এখন ২১০০ টাকা।
তিনি আরও জানান, মাঝে মধ্যে চালের দাম বাড়িয়ে ফেলে কিছু অসাধু অটো রাইচ মিল মালিকেরা।এই বিষয়ে বরিশাল জেলা নিয়ন্ত্রণ খাদ্য অধিদপ্তর মোঃতাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে চালের দাম কিছুটা কম,কেননা চালের আমদানি শুল্ক কিছুটা কমিয়ে দেয়া হচ্ছে, এবং আপনারা অবগত আছেন যে আমাদের সরকার থেকে যে ও, এম, এস, এর চাল ও আটা দেয়া হয় তারও কিছু প্রভাব আছে। কেননা ও,এম,এস,এর চালের কেজি ৩০ টাকা,আর আটার কেজি ১৮ টাকা।
দাম কম হওয়ায় অনেকেই ওখান থেকে চাল,আটা ক্রয় করে থাকেন।তবে মাঝে মধ্যে চালের দাম বৃদ্ধি হওয়ার প্রধান কারন হল কিছু অসাধু অটো রাইচ মিল মালিকেরা বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে হঠাৎ করে চালের দাম বাড়িয়ে ফেলে। তবে চালের দাম যেহেতু কমতে শুরু করেছে ভবিষৎতেও চালের দাম কমবে এমনটা আশা করা যায়।